সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-কে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ সমালোচনামূলক লেখা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। লেখাটিতে তার ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে বিচারক, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার এবং রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে নানা অভিযোগ ও সমালোচনা তুলে ধরা হয়েছে। লেখায় দাবি করা হয়েছে, ছাত্রলীগ ও বাকশালের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তিনি পরবর্তীতে বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ পান। এছাড়া দুদকে দায়িত্ব পালনকালে পদ্মা সেতু দুর্নীতির অভিযোগ এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোতে সরকারের পক্ষে ভূমিকা রাখার অভিযোগও করা হয়েছে। এছাড়া এস. আলম গ্রুপের সঙ্গে তার সম্পর্ক, বিভিন্ন ব্যাংকে দায়িত্ব পালন এবং ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার প্রেক্ষাপট নিয়েও লেখক বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করেছেন। লেখাটিতে আরও দাবি করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক সংকটের সময় বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং কথিত "আয়নাঘর" থেকে আটক ব্যক্তিদের মুক্তির প্রস্তাব নিয়ে তিনি আপত্তি তুলেছিলেন। এ সংক্রান্ত বর্ণনাও লেখকের ব্যক্তিগত দাবি হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। সবশেষে, লেখক সাবেক রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনের কঠোর সমালোচনা করে তার অপসারণ, ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিণতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের ভূমিকা নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই লেখায় উত্থাপিত অভিযোগ ও দাবিগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যও এতে অন্তর্ভুক্ত নয়।